📚

বাংলা সাহিত্যের কুইজ

লেখক, সাল, ধারা, চরিত্র। বাংলা সাহিত্য নিয়ে কুড়িটা প্রশ্ন।

এই টেস্টগুলোও তোমার ভালো লাগবে

এই টেস্ট সম্পর্কে

বাংলা সাহিত্য নাম ধরে নয়, সাল ধরে অনেক ভালো মনে থাকে। ১৯১৩ সালটাই ধরুন: গীতাঞ্জলির ইংরেজি অনুবাদের জন্য রবীন্দ্রনাথ নোবেল পান, আর ইউরোপের বাইরে এটাই প্রথম সাহিত্যের নোবেল। একটা সাল মনে রাখলেই একসঙ্গে একজন লেখক, একটা বই আর একটা মোড় হাতে চলে আসে।

ধারাগুলো শিখতে হয় একটার বিপরীতে আরেকটা রেখে। মধুসূদন অমিত্রাক্ষর ছন্দ এনে মহাকাব্যকে সংস্কৃত ছাঁদ থেকে সরিয়ে দেন; বঙ্কিম গড়ে তোলেন আধুনিক বাংলা উপন্যাস; শরৎচন্দ্র সমাজের ভেতরের টানাপোড়েন লেখেন; মানিক বন্দ্যোপাধ্যায় আর বিভূতিভূষণ একই দশকে দুটো একেবারে আলাদা বাস্তবতা আঁকেন — একজন নদীর শ্রমজীবীদের, আরেকজন গ্রামের শৈশবের। চারটে নাম, চারটে আলাদা প্রকল্প: এগুলো গুলিয়ে ফেলাই এ ধরনের কুইজে সবচেয়ে চালু ভুল।

শেষে একটা কাজের ঐতিহাসিক খুঁটি: চর্যাপদের পুঁথি নেপালের রাজদরবারের গ্রন্থাগারে খুঁজে পান হরপ্রসাদ শাস্ত্রী, আর সেটি প্রকাশিত হয় ১৯১৬ সালে। অর্থাৎ বাংলা ভাষার প্রাচীনতম নিদর্শনটি আমাদের হাতে এসেছে আধুনিক সাহিত্যের জন্মের অনেক পরে। সাহিত্যের ইতিহাস কখনোই লেখার ক্রমে সাজানো থাকে না, সাজানো থাকে আবিষ্কারের ক্রমে।

এই টেস্টটি শুধুমাত্র বিনোদনের জন্য দেওয়া হয়েছে। এটি কোনো রোগনির্ণয় নয়, কোনো পেশাদার পরামর্শও নয়।