ঈর্ষার পরীক্ষা
আপনি মনোযোগী, উদ্বিগ্ন, নাকি নজরদারি শুরু করেছেন — জানতে ষোলোটা পরিস্থিতি।
এই টেস্টগুলোও তোমার ভালো লাগবে
এই টেস্ট সম্পর্কে
ঈর্ষার বদনাম আছে, তবে অল্প মাত্রায় সে অস্বাভাবিক কিছুই বোঝায় না: বোঝায় যে হারানোর মতো কিছু আছে। সমস্যা কখনোই এটা নয় যে অপরিচিত কেউ একটা ছবিতে মন্তব্য করলে একটু খচখচ করে — সমস্যা হলো পরের এক ঘণ্টায় সেই খচখচানিটা নিয়ে কী করা হয়। একটা প্রশ্ন করা আর লোকেশন দেখে নেওয়ার মাঝে একটা সীমানা আছে, আর সেটা নিজের চেয়ে অন্যের ক্ষেত্রে দেখা সহজ।
তাই এই পরীক্ষায় একেবারে সাধারণ ষোলোটা পরিস্থিতি: উল্টে রাখা একটা ফোন, সাম্প্রতিক তালিকায় একজন প্রাক্তন, শনিবার সন্ধ্যায় তিন ঘণ্টা উত্তর না পাওয়া, গল্পে বড্ড ঘন ঘন ফিরে আসা এক সহকর্মী, বন্ধুদের সঙ্গে একটা ছুটি। প্রতিটার জন্য চারটে সম্ভাব্য প্রতিক্রিয়া, শান্ত নির্লিপ্তি থেকে সক্রিয় যাচাই পর্যন্ত। মাপকাঠিটা আপনি কী অনুভব করেন তার তীব্রতা মাপে না, মাপে সেটা নিয়ে আপনি নিজেকে কী করতে দেন।
দুটো কথা। কম স্কোর কোনো পদক নয়: একেবারে কোনো প্রতিক্রিয়া না থাকা অনাগ্রহও বোঝাতে পারে, কিংবা এমন একটা সম্পর্ক যা বলার চেয়ে কম দামি। আর উঁচু স্কোর কোনো ব্যক্তিত্ব বোঝায় না, কেবল একটা সময় বোঝায়: বিশ্বাসভঙ্গ, বাসা বদল বা চাকরি হারানোর পরে ঈর্ষা ওঠে, আর বাকিটা থিতু হলে নেমে যায়।
কীভাবে কাজ করে
প্রতিটা উত্তর ০ থেকে ৬ নম্বর পায়। যাচাইয়ের আচরণগুলো — ফোন দেখা, লোকেশন দেখা, তৃতীয় কারও প্রোফাইল দেখা — অনুভূতির চেয়ে বেশি ভারী নম্বর পায়, কারণ সেগুলো কেবল নিজের ওপর নয়, অন্যজনের ওপরও খাটে। মোট নম্বর ১০০-র হিসেবে আনা হয়।
এই টেস্টটি শুধুমাত্র বিনোদনের জন্য দেওয়া হয়েছে। এটি কোনো রোগনির্ণয় নয়, কোনো পেশাদার পরামর্শও নয়।