⏳

আপনার কোন যুগে জন্মানো উচিত ছিল?

নিজের শতকটা খুঁজতে পনেরোটা প্রশ্ন — আর জানতে, ওখানে কী আপনাকে ভেঙে দিত।

এই টেস্টগুলোও তোমার ভালো লাগবে

এই টেস্ট সম্পর্কে

ইতিহাস নিয়ে নস্টালজিয়ার একটা গঠনগত দোষ আছে: আমরা সবসময় নিজেদের ভালো ভূমিকাতেই কল্পনা করি। আমরা নিজেদের এথেন্সের দার্শনিক ভাবি, লরিয়নের রুপোর খনির ক্রীতদাস নয়। নিজেদের ফ্লোরেন্সের চিত্রকর ভাবি, ছয় বছর ধরে রং গুঁড়ো করা সেই শিক্ষানবিশ নয় যে কিছুতে নিজের নাম দিতে পারে না। এই পরীক্ষা সেই ঝোঁকটা মানে না: প্রতিটা ফল আপনার চলার ধরনের সঙ্গে মেলে এমন একটা যুগ দেয়, সেটা ব্যাখ্যা করার মতো একটা যাচাইযোগ্য তথ্য দেয়, আর ওখানে কী আপনাকে ভেঙে দিত তাও বলে দেয়।

পনেরোটা প্রশ্নে ইতিহাসের কথাই নেই। সেগুলো আপনার বোঝানোর ধরন, বন্ধ মহলে জায়গা করে নেওয়ার ধরন, একটা ভাবনা অস্বস্তি তৈরি করলে আপনার প্রতিক্রিয়া, আর আপনার সম্পর্কে লোকে কী মনে রাখুক তা নিয়ে। বাছা আটটা যুগ সবই বাস্তব আর নথিবদ্ধ: খ্রিস্টপূর্ব পঞ্চম শতকের এথেন্স, সাম্রাজ্যিক রোম, আব্বাসি বাগদাদ, পঞ্চদশ শতকের ফ্লোরেন্স, আলোকময় ইউরোপ, শিল্পযুগের ইংল্যান্ড, ১৯২০-এর দশক আর ১৯৭০-এর দশক।

নিজের ফলটা পুরোটা পড়ুন, দ্বিতীয়ার্ধসুদ্ধ। ব্যক্তিত্বের পরীক্ষা আর একটা ছবিওয়ালা পোস্টকার্ডের মধ্যে তফাতটা ওই অংশেই।

কীভাবে কাজ করে

প্রতিটা উত্তর একটা যুগের সঙ্গে জোড়া। যোগ করা হয়, আর যেটা এগিয়ে থাকে সেটাই ফল; শতাংশ আপনার মিশ্রণটা দেখায়। প্রশ্নমালায় আটটা যুগের প্রত্যেকটা সাত বা আটবার করে আসে, তাই কেউই জিতে থেকে শুরু করে না।

এই টেস্টটি শুধুমাত্র বিনোদনের জন্য দেওয়া হয়েছে। এটি কোনো রোগনির্ণয় নয়, কোনো পেশাদার পরামর্শও নয়।