রঙের ওস্তাদ
একটা ঘরের রং ঠিক একরকম নয়। ওটা খুঁজুন। তিনটে প্রাণ, এর বেশি নয়।
এই টেস্টগুলোও তোমার ভালো লাগবে
এই টেস্ট সম্পর্কে
মানুষের চোখ নিছক রঙের তফাতের চেয়ে উজ্জ্বলতার তফাতে অনেক বেশি সংবেদনশীল, আর সবচেয়ে ছোট যে হেরফের ধরা পড়ে তা শুরুর মাত্রার ওপর নির্ভর করে: মাঝারি ধূসরে এক শতাংশের তফাতও চোখে পড়ে, খুব গাঢ় বা খুব হালকা রঙে অনেক কম পড়ে। এটাকেই বলা হয় পার্থক্যের সীমা, আর এই পরীক্ষাটা স্তরে স্তরে সেটাই নামিয়ে আনে যতক্ষণ না আপনি আর তাল রাখতে পারেন।
এখানে বাইরের তিনটে জিনিস ভয়ানক গুরুত্বপূর্ণ, প্রায়ই আপনার দৃষ্টির চেয়েও বেশি। প্রথমে পর্দা: প্রতি স্তরে আট বিটের একটা পর্দা প্রতি চ্যানেলে মাত্র ২৫৬টা মাত্রা দেখাতে পারে, তাই পরীক্ষার সবচেয়ে সূক্ষ্ম তফাতগুলো শেষে একেবারেই দেখানো অসম্ভব হয়ে পড়ে, আর একটা TN পর্দা একটু কোনাকুনি দেখলে কিনারার রং বদলে যায়। তারপর ঘরের আলো: পিছনে একটা বাতি বা একটা প্রতিফলন সমান উজ্জ্বলতার একটা স্তর যোগ করে যা দুর্বল বৈসাদৃশ্য মুছে দেয়। শেষে রাতের মোড বা নীল আলোর ছাঁকনি, যা গোটা পর্দার রং বিকৃত করে আর কিছু তফাত অদৃশ্য করে দেয়।
জরুরি কথা: এটা চোখের পরীক্ষা নয় আর কিছুই শনাক্ত করে না। এটা রং-অন্ধতা যাচাই করে না — সেটা নিয়ন্ত্রিত আলোয় নির্দিষ্ট পাত দিয়ে নির্ণয় করা হয় — আর কম স্কোরের কোনো চিকিৎসাগত অর্থ নেই। এটা দৃষ্টি-মনোযোগের একটা খেলা, যেখানে তফাত কমার সঙ্গে সঙ্গেই বোর্ডটাও বড় হয়, ফলে দেখার সূক্ষ্মতা আর একটা ছবি চোখ বুলিয়ে দেখার ক্ষমতা ইচ্ছে করেই মিশে যায়।
কীভাবে কাজ করে
প্রতি স্তরে একই রঙের চৌকোর একটা বোর্ড দেখানো হয়, তফাত শুধু এই যে একটামাত্র ঘর একটু বেশি হালকা। আপনি ওটায় ক্লিক করেন। প্রতিটা সফল চেষ্টায় বোর্ড বড় হয় আর উজ্জ্বলতার তফাত কমে; প্রতিটা ভুলে একটা প্রাণ যায়। তিনটে প্রাণ শেষ হলে খেলা থামে আর আপনার স্কোর হয় পৌঁছানো স্তরটা।
এই টেস্টটি শুধুমাত্র বিনোদনের জন্য দেওয়া হয়েছে। এটি কোনো রোগনির্ণয় নয়, কোনো পেশাদার পরামর্শও নয়।