নিখুঁত বৃত্তের পরীক্ষা
মাঝখানে একটা বিন্দু, একটা টান, ১০০-তে একটা নম্বর। শুভকামনা।
এই টেস্টগুলোও তোমার ভালো লাগবে
এই টেস্ট সম্পর্কে
হাতে বৃত্ত আঁকা শিল্পীর প্রতিভার পরীক্ষা নয়, সূক্ষ্ম পেশিনিয়ন্ত্রণের পরীক্ষা। অসুবিধাটা নির্দিষ্ট: ব্যাসার্ধ সমান রাখতে হাতকে একটা কল্পিত কেন্দ্রের চারপাশে ঘোরাতে হয়, আর আমাদের কোনো জোড়াই স্বভাবত সেটা করে না। কবজি একটা অক্ষে ঘুরে ডিম্বাকার বানায়, কনুই বেশি বড় বাঁক টানে। এই জন্যই আঁকিয়েরা বৃত্ত কাঁধ থেকে, দ্রুত টানে আঁকতে শেখেন — আঙুলের আগা দিয়ে ধীরে নয়।
যন্ত্রটা গোটা হিসাব বদলে দেয়। মাউসে হাত আনুভূমিক তলে চলে আর আপনি তাকিয়ে থাকেন একটা লম্ব তলে, ফলে মাথার ভেতরে একটা অনুবাদ যোগ হয়; টাচস্ক্রিন বা স্টাইলাসে আপনি সোজা দেখতে পান ডগাটা কোথায় যাচ্ছে, আর সেখানে নম্বর স্পষ্টভাবেই ভালো আসে। আকারও গুরুত্বপূর্ণ: ছোট বৃত্তে হাতের বিস্তার কম, তাই বিপথে যাওয়ার সুযোগও কম, তবে সামান্য কাঁপুনিতেও সেটা নড়ে যায়। শেষ প্রান্তে পর্দা — আঁকার সময় আপনি কতটা সূক্ষ্মভাবে দেখতে পাচ্ছেন সেটা সে-ই ঠিক করে।
মাপের একটা স্বীকৃত সীমা আছে: এটা কেবল শুরুর বিন্দুর চারপাশে ব্যাসার্ধ কতটা সমান তা দেখে, টানটা বন্ধ হলো কি না বা কত দ্রুত আঁকা হলো তা নয়। তাই খুব সমান কিন্তু অসম্পূর্ণ একটা বাঁক, বন্ধ কিন্তু এবড়োখেবড়ো একটা বৃত্তের চেয়ে ভালো নম্বর পেতে পারে। এটা হাতের দক্ষতার খেলা — মূল্যায়ন নয়, চ্যালেঞ্জ হিসেবেই নেওয়া ভালো।
কীভাবে কাজ করে
আপনি আঁকার সময় কার্সরের প্রতিটি অবস্থান নথিবদ্ধ হয়, তারপর ওই প্রতিটি বিন্দু থেকে কেন্দ্রবিন্দুর দূরত্ব হিসাব করা হয়। নম্বর নির্ভর করে এই দূরত্বগুলোর ছড়িয়ে পড়ার ওপর: শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত আপনার ব্যাসার্ধ যত সমান থাকবে, নম্বর তত উঠবে। বিশ্লেষণের জন্য যা খুব ছোট, সেই টানে নম্বর দেওয়া হয় না।
এই টেস্টটি শুধুমাত্র বিনোদনের জন্য দেওয়া হয়েছে। এটি কোনো রোগনির্ণয় নয়, কোনো পেশাদার পরামর্শও নয়।