ফাঁসির খেলা
পাঁচটা শব্দ, প্রতিটার একটা সূত্র, শব্দপ্রতি সাতটা ভুলের ছাড়।
এই টেস্টগুলোও তোমার ভালো লাগবে
এই টেস্ট সম্পর্কে
ফাঁসির খেলা উনিশ শতক থেকে কাগজ-পেনসিলেই খেলা হয়, আর এর কাঠামো একটুও বদলায়নি: একজন একটা শব্দ বাছে, অন্যজন অক্ষর বলে, আর প্রতিটা অনুপস্থিত অক্ষর শেষের দিকে এক ধাপ এগিয়ে দেয়। এখানে প্রথম খেলোয়াড়ের ভূমিকা কম্পিউটারের, উপরি হিসেবে একটা সূত্র আর শব্দপ্রতি সাতটা ভুলের ছাড়।
এটা শব্দভাণ্ডারের খেলা নয়, সম্ভাবনার খেলা। কোনো ভাষায় অক্ষরগুলো সমানভাবে ছড়ানো থাকে না: এখানে ব্যবহৃত ইংরেজি অক্ষরে E সবচেয়ে বেশি, তারপর T, A, O, I, N, S, R। প্রথমেই K বা W বলা মানে একটা হৃদয় উপহার দেওয়া। ভালো খেলোয়াড় সবসময় তিন-চারটে স্বরধ্বনি দিয়ে শুরু করে, তাতে শব্দের কাঠামোটা বেরিয়ে আসে, তারপর সবচেয়ে চেনা ব্যঞ্জন দিয়ে ভরায়।
দ্বিতীয় দক্ষতাটা হলো নকশা পড়া। কয়েকটা অক্ষর বসে গেলে পরিচিতির চেয়ে জায়গাটা বেশি গুরুত্বপূর্ণ হয়ে যায়: শেষে N-এর পরে একটা অক্ষর থাকলে সেটা T বা S হওয়ার সম্ভাবনা, মাঝখানে একই অক্ষর জোড়া থাকলে প্রার্থীর সংখ্যা হুড়মুড় করে কমে, আর তিনটে E-ওয়ালা দশ অক্ষরের শব্দ বেশি বিকল্প রাখে না। আর সূত্রটা সাজানোর জন্য নয় — যারা হারে তারা অর্ধেক প্রাণ পুড়িয়ে ফেলার পরে ওটা পড়ে।
কীভাবে কাজ করে
কুড়িটা শব্দের তালিকা থেকে এলোমেলোভাবে পাঁচটা শব্দ, প্রতিটার জন্য একটা সূত্র দেখানো হয়, শব্দপ্রতি সাতটা ভুলের ছাড়। শুধু পুরোপুরি পাওয়া শব্দই গোনা হয়: প্রায়-সম্পূর্ণ শব্দ কিছুই দেয় না। ১০০-তে স্কোর শূন্য থেকে পাঁচটা শব্দ পর্যন্ত।
এই টেস্টটি শুধুমাত্র বিনোদনের জন্য দেওয়া হয়েছে। এটি কোনো রোগনির্ণয় নয়, কোনো পেশাদার পরামর্শও নয়।